সিঙ্গাপুরের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে।
নতুন প্রকল্পে কর্মসংস্থানের হাতছানি সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির জয়জয়কার! চাঙ্গি এয়ারপোর্ট, সান্তোসা দ্বীপ ও পায়া লেভার এয়ারবেসের মতো মেগা প্রজেক্টগুলোতে দক্ষ বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মিশেল লি আমাদের কর্মীদের কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করে এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। একইসঙ্গে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সংখ্যা বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি, যা দুই দেশের যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আনবে।

দক্ষতা বৃদ্ধি ও খাতের বৈচিত্র্যকরণ সিঙ্গাপুরের বাজারে শুধু নির্মাণশ্রমিক নয়, এবার নার্সিং, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, কেয়ারগিভিং এবং হোটেল ম্যানেজমেন্টের মতো আধুনিক পেশায় বাংলাদেশি কর্মীদের যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। বর্তমানে থাকা ৬টি টেস্টিং সেন্টারকে বাড়িয়ে ১০টি করার অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে আরও বেশি কর্মী সিঙ্গাপুরের মানদণ্ডে নিজেকে তৈরি করতে পারেন। সরকারি সংস্থা ‘বোয়েসেল’-এর মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্পন্ন হলে কর্মীদের বিদেশ যাওয়ার পথ আরও নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হবে।
দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার বাংলাদেশি কর্মী সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। বাংলাদেশের মেরিন টেকনোলজি ইনস্টিটিউট থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন বন্দরে নিয়োগের জন্য বিশেষ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুর সরকার বাংলাদেশের বিমানবন্দরে যাত্রী ব্যবস্থাপনাতেও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। সব মিলিয়ে, উন্নত কারিগরি দক্ষতা অর্জন এবং সিঙ্গাপুরের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমাদের তরুণরা সিঙ্গাপুরের মাটিতে লাল-সবুজের পতাকাকে আরও উজ্জ্বল করার সুযোগ পেতে যাচ্ছে।